Live update news
এসএসসি পাসে সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ, যেভাবে আবেদন

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ‘সৈনিক’ পদে নতুন জনবল নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। যোগ্য প্রার্থীরা সাধারণ (জিডি) অথবা টেকনিক্যাল ট্রেড (টিটি)–এই দুই বিভাগের যেকোনো একটিতে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করা যাবে ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত, এসএমএস ও অনলাইন—দুই পদ্ধতিতেই।   প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়োগ বিভাগ: সাধারণ (জিডি) টেকনিক্যাল ট্রেড (টিটি) পদের নাম: সৈনিক (পদসংখ্যা নির্ধারিত নয়)   বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা ১) সাধারণ (জিডি) – পুরুষ/নারী বয়স: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ তারিখে ১৭–২২ বছর (এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়) শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম GPA 3.00 সহ এসএসসি/সমমান ২) টেকনিক্যাল ট্রেড (টিটি) – পুরুষ/নারী বয়স: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ তারিখে ১৭–২৩ বছর (এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়) শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি ভোকেশনাল কারিগরি বিষয়ে GPA অন্তত 3.00 বা এসএসসি/সমমান GPA অন্তত 3.00 অন্যান্য যোগ্যতা চাকরির ধরন: স্থায়ী প্রার্থীর ধরন: নারী–পুরুষ বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত শারীরিক যোগ্যতা পুরুষ: উচ্চতা: ৫’৫’’ (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী: ৫’৪’’) ওজন: ৪৯.৯০ কেজি বুক: ৩০–৩২ ইঞ্চি নারী: উচ্চতা: ৫’১’’ (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী: ৫’) ওজন: ৪৭ কেজি বুক: ২৮–৩০ ইঞ্চি চোখের দৃষ্টি: ৬/৬   আবেদন করার নিয়ম প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন দুটি উপায়ে— ১) টেলিটক প্রি-পেইড সিম থেকে এসএমএসের মাধ্যমে ২) অনলাইনে: http://sainik.teletalk.com.bd/   অনলাইনে আবেদন করলে প্রবেশপত্র প্রিন্ট করা বাধ্যতামূলক। আবেদন করার ৭ দিনের মধ্যে প্রবেশপত্র প্রিন্ট করতে হবে, পরবর্তীতে আর সম্ভব নয়।   ফি জমা পরীক্ষার ফি: ২০০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি: ১০০ টাকা   নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রার্থীদের কয়েকটি ধাপে মূল্যায়ন করা হবে— স্বাস্থ্য পরীক্ষা শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষা লিখিত পরীক্ষা (বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা) সাক্ষাৎকার আবেদন সময়সীমা আবেদন শুরু: ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদন শেষ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬

১ দিন Ago
লিভারে রোগ বাসা বাঁধছে? লক্ষণ ধরা পড়ে হাতে-পায়ে

লিভারের সমস্যা অনেক সময়ই নীরবে বাড়তে থাকে। অনেকে মনে করেন লিভারের অসুখ হলে জন্ডিস, পেট ভার বা পেট ফাঁপা ছাড়া উপসর্গ দেখা দেয় না। কিন্তু বাস্তবে লিভারের রোগ শরীরের অন্য অংশেও সংকেত পাঠায়—বিশেষ করে হাত ও পায়ে। লিভারে মেদ জমে যদি ফ্যাটি লিভার হয়, বা লিভারে প্রদাহ শুরু হয়, তাহলে তার প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠতে পারে ত্বক, নখ, শিরা ও স্নায়ুতন্ত্রে।   হাত ও পায়ে যে লক্ষণগুলো দেখা দিলে লিভারের সমস্যা সন্দেহ করবেন   ১. হাতের তালুতে লালচে ভাব দুই হাতের তালুতে হঠাৎ লালচে ছোপ দেখা দিতে পারে। এতে ব্যথা, চুলকানি বা জ্বালা থাকে না, তবে তালু ফুলে যায় এবং লালচে দাগ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে। লিভারের অসুখে হরমোনের ক্ষরণ অনিয়মিত হয়, ফলে রক্তনালিগুলো প্রসারিত হয়ে প্রদাহ সৃষ্টি করে। দুই হাতের তালুতেই যদি এমন লালচে দাগ দেখা যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।   ২. নখের রঙে পরিবর্তন নখ শরীরের অভ্যন্তরীণ নানা অসুখের ইঙ্গিত দেয়। নখের রং যদি খুব ফ্যাকাশে, সাদাটে বা হলদেটে হয়ে যায়, তাহলে তা লিভারের সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। এটি লিভারের দুর্বলতার পাশাপাশি আয়রনের ঘাটতিরও ইঙ্গিত দেয়।   ৩. গোড়ালিতে কালচে ছোপ ও পায়ে ফোলা লিভারের অসুখে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটায় ধমনীগুলিতে চাপ পড়ে। ফলে হাতে-পায়ে পানি জমতে থাকে—বিশেষ করে গোড়ালিতে। গোড়ালি ফুলে ওঠা, পায়ের ত্বকে কালচে দাগ বা চুলকানি দেখা দিলে সতর্ক হতে হবে। লিভারে গভীর ক্ষত (সিরোসিস) হলে এ লক্ষণগুলো আরও স্পষ্ট হয়। অনেক ক্ষেত্রে ওজন কমে যাওয়া, খিদে না পাওয়া ও অতিরিক্ত ক্লান্তিও যুক্ত হয়।   ৪. স্পাইডার ভেন বা জালের মতো শিরা পায়ের পাতায় বা পায়ের ওপর নীল বা সবুজ রঙের জালের মতো শিরা দেখা দিলে তাকে বলা হয় ‘স্পাইডার ভেন’। লিভারের সমস্যা হলে শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোন বেড়ে যায়, যার কারণে এই ধরনের শিরা ত্বকে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।   ৫. হাত-পায়ের অসাড়তা ও ব্যথা হঠাৎ হাত বা পায়ে ঝিনঝিনি ভাব, অসাড়তা, টান ধরা বা ব্যথা—এসবও লিভার রোগের লক্ষণ হতে পারে। বিশেষ করে হেপাটাইটিস সি বা অ্যালকোহলজনিত ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে স্নায়ু আক্রান্ত হয়, ফলে হাতে-পায়ে সংবেদনা কমে যায়।   হাত-পায়ে এসব উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ জরুরি। কারণ লিভারের সমস্যা যত তাড়াতাড়ি শনাক্ত করা যায়, তত দ্রুত চিকিৎসা শুরু করে জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

১ দিন Ago
কবে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’, জানা গেল

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করে ভারতের পূর্ব উপকূলে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশটির আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়টি তামিলনাড়ুতে আঘাত হানতে পারে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়টি তখন কারাইকাল থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল এবং উত্তর তামিলনাড়ু ও দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছিল। ধারণা করা হচ্ছে, রোববার (৩০ নভেম্বর) ভোরের আগেই এটি উপকূলে আছড়ে পড়বে।   এদিকে ‘ডিটওয়াহ’-এর প্রভাবে ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৮০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২০ জন। ঘূর্ণিঝড়জনিত ভারী বর্ষণের কারণে বাড়ি-ঘর, গাছপালা এবং বিভিন্ন স্থাপনা পানিতে তলিয়ে গেছে। ভূমিধসে একাধিক এলাকায় চরম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পানি-বন্দী ও আশ্রয়হীন মানুষদের উদ্ধারে জরুরি দল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।   ভারতের তামিলনাড়ু জুড়েও ‘ডিটওয়াহ’-এর প্রভাবে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে রাজ্য কর্তৃপক্ষ জরুরি প্রস্তুতি নিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।   সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে তামিলনাড়ুতে ইন্ডিগো তাদের কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করেছে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে রামআশ্রম–ওখা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাও বাতিল করা হয়েছে। সমুদ্রের ওপর অবস্থিত পাম্বন ব্রিজে তীব্র ঝড়ো বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   তবে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় থাকলেও বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই। প্রধান আঘাত আসবে ভারতের তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে।

১ দিন Ago
৯ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ

বাংলাদেশসহ পুরো গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে—এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশি-বিদেশি ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা। তাদের ভাষ্য, অঞ্চলের ‘মেগাথার্স্ট’ ফল্টে জমে থাকা শক্তি যেকোনো সময় ৯ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের জন্ম দিতে পারে, যা বাংলাদেশের জন্য গুরুতর হুমকি।   শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত ‘আর্থকুয়েক অ্যাওয়ারনেস, সেফটি প্রটোকল অ্যান্ড ইমার্জেন্সি প্রিপারেডনেস’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনারে এসব উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সেমিনারটির আয়োজন করে জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড। এতে অংশ নেন দেশি-বিদেশি ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ, স্থপতি, প্রকৌশলী, রিয়েল এস্টেট উদ্যোক্তা, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রতিনিধি।   সেমিনারে বক্তারা উল্লেখ করেন, গত শত বছরে বাংলাদেশে ২০০টির বেশি ভূমিকম্প রেকর্ড হয়েছে এবং ২০২৪ সালের পর কম্পনের হার আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে তারা বলেন, গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার ‘মেগাথার্স্ট’ ফল্টে গত ৮০০-১০০০ বছর ধরে সঞ্চিত শক্তি এখনো মুক্ত হয়নি, যা বড় ধরনের ভূমিকম্পের জন্য একটি গুরুতর সংকেত।   তাদের মতে, বাংলাদেশ তিন সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত—ভারত, মিয়ানমার ও ইউরেশীয় প্লেট। সিলেটের ডাউকি ফল্ট, চট্টগ্রাম–টেকনাফের চিটাগং–আরাকান ফল্ট এবং মিয়ানমারের সাগাইং ফল্ট—এই তিনটি প্রধান ফল্ট মিলেই দেশটিকে উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। দ্রুত নগরায়ণ, ঘনবসতি, দুর্বল অবকাঠামো, বিল্ডিং কোড অমান্য এবং সংকীর্ণ নগর কাঠামো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।   বিশেষজ্ঞরা বলেন, সময়মতো প্রস্তুতি, জনসচেতনতা ও আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে বড় ধরনের ভূমিকম্পেও ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব। প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।   সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন জাপানের ভূমিকম্প-সহনশীল স্থাপত্য বিশেষজ্ঞ কেসিরো সাকো ও হেসাইয়ে সুগিয়ামা। তারা জাপানের ভূমিকম্প-পরবর্তী অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নিরাপদ নকশা, আধুনিক নির্মাণমান ও ঝুঁকি কমানোর কৌশল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।   বক্তারা আরও বলেন, সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া ভূমিকম্প-সহনশীল দেশ গড়া সম্ভব নয়। এজন্য ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবন নির্মাণ, পুরোনো ভবনের স্ট্রাকচারাল অডিট, নির্মাণ মানের কঠোর তদারকি, জরুরি উদ্ধার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক সতর্কবার্তা ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি জনসাধারণকে নিয়মিত মহড়া, সচেতনতা কার্যক্রম ও পরিবারভিত্তিক প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।   জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো আমাদের ঝুঁকি আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ নগরায়ণ ও দুর্বল অবকাঠামোর কারণে বড় ভূমিকম্প ঘটলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখনই সচেতনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।   এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. এম শামীম জেড বসুনিয়া, প্রফেসর ড. সৈয়দ ফখরুল আমিন (বুয়েট), রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ওয়াহিদুজ্জামান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী, রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ আল হোসেন চৌধুরী রিজভী, প্রফেসর ড. রাকিব আহসান (বুয়েট), বাজুস প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান, বিএমইডির পরিচালক মমিনুল ইসলাম, স্থপতি আরিফুল ইসলাম, স্থপতি রফিক আজম ও ভিস্তারার এমডি মুস্তফা খালিদ পলাশ।

১ দিন Ago
খালেদা জিয়ার সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালেন ডা. জাহিদ
রাজনীতি
খালেদা জিয়ার সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালেন ডা. জাহিদ

গত কয়েক দিনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, বর্তমানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্পূর্ণ চিকিৎসক বোর্ডের তত্ত্বাবধানে আগের মতোই চলছে।   শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।   ডা. জাহিদ বলেন, দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসা বোর্ডের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশই ঠিক করবে—তাকে বিদেশে নেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না।   তিনি আরও জানান, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করেই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা পরিচালিত হচ্ছে এবং এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।   ডা. জাহিদ বলেন, ডা. জোবায়দা রহমান দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে কাজ করছেন। চিকিৎসক দলের দেওয়া প্রতিটি চিকিৎসাই খালেদা জিয়া গ্রহণ করতে পারছেন বলে জানান তিনি।   হাসপাতালের সামনে অযথা ভিড় না করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাওয়া হচ্ছে। সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে তার সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।   উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৬ বছরের আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক নির্যাতন, কারাভোগ এবং চিকিৎসার সুযোগ সীমিত থাকায় খালেদা জিয়ার শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়—হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনি জটিলতা তার মধ্যে অন্যতম।   ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের পরদিন রাষ্ট্রপতির আদেশে মুক্তি পান খালেদা জিয়া। উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি গত ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান এবং ১১৭ দিন অবস্থান শেষে ৬ মে দেশে ফেরেন।   দেশে ফিরেও শারীরিক জটিলতার কারণে তাকে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। সর্বশেষ ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

নভেম্বর ৩০, ২০২৫ 0
দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়: তারেক রহমান
দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়: তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। এই অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দ্রুত দেশে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন সবাই। তবে দেশে আশার বিষয় তিনি জানিয়েছেন, অন্য আর সকলের মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল পৌনে ৯টায় তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা বলেন। সময়ের ধ্বনির পাঠকদের জন্য তার ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো। তারেক রহমান লিখেছেন- ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তাঁর রোগমুক্তির জন্য দল মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।’ ‘দেশ বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধু প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে।’ ‘সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে জিয়া পরিবার বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যাহত রাখার ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।’ ‘এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্খা যে কোনো সন্তানের মত আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সূযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শ কাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’

ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা: সিইসি
ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা: সিইসি

ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চলা মক ভোটিং পরিদর্শন শেষ সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। এ সময় সিইসি বলেন, গণভোট নিয়ে সেইভাবে প্রচারণা শুরুই হয়নি এখনো। সরকার এবং ইসি এসকসঙ্গে মিলে ব্যাপক প্রচারণা চালাবে। সেভাবেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কখনো ভালো ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে। পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র‌্যাব, সেনাবাহিনী অ্যাকটিভলি কাজ করছে। আগেও চুরি-ছিনতাই হয়েছে। কিন্তু এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা। পরিস্থিতি এখনের চেয়ে আরো ভালো হবে।   মক ভোটিং নিয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আইডিয়ার পরিস্থিতিতে নির্বাচন করতে গেলে কেমন পরিবেশ রাখা দরকার তার সার্বিক বিষয়ে দেখতে চেয়েছে ইসি। গত পনের বছরে ভোট দেয়ার প্রক্রিয়া দেখেনি জনগণ।  

শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’, কতটা ঝুঁকিতে বাংলাদেশ?
শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’, কতটা ঝুঁকিতে বাংলাদেশ?

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করে আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইতোমধ্যেই এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শ্রীলঙ্কায় হওয়া প্রবল বর্ষণে সৃষ্টি হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ভয়াবহ বন্যা। বন্যা ও ভূমিধসে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হওয়ায় দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আরও প্রবল বৃষ্টি ও তীব্র ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ।   এ পরিস্থিতির মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়টির সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।   শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার বুলেটিনে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও শ্রীলঙ্কার উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ আরও শক্তি সঞ্চয় করে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে।   সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে ১০.৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮০.৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় এটি আরও শক্তিশালী হয়ে একই দিক দিয়ে অগ্রসর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   তবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে এই ঘূর্ণিঝড়ের তেমন কোনো প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই বলে আশ্বস্ত করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।   এদিকে বেসরকারি আবহাওয়া বিশ্লেষক সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, চলতি বছরে বাংলাদেশে আর কোনো ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে পশ্চিমা লঘুচাপের কারণে আগামী মাসে সামান্য বৃষ্টি হতে পারে।

৯ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ
৯ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ

বাংলাদেশসহ পুরো গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে—এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশি-বিদেশি ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা। তাদের ভাষ্য, অঞ্চলের ‘মেগাথার্স্ট’ ফল্টে জমে থাকা শক্তি যেকোনো সময় ৯ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের জন্ম দিতে পারে, যা বাংলাদেশের জন্য গুরুতর হুমকি।   শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত ‘আর্থকুয়েক অ্যাওয়ারনেস, সেফটি প্রটোকল অ্যান্ড ইমার্জেন্সি প্রিপারেডনেস’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনারে এসব উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সেমিনারটির আয়োজন করে জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড। এতে অংশ নেন দেশি-বিদেশি ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ, স্থপতি, প্রকৌশলী, রিয়েল এস্টেট উদ্যোক্তা, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রতিনিধি।   সেমিনারে বক্তারা উল্লেখ করেন, গত শত বছরে বাংলাদেশে ২০০টির বেশি ভূমিকম্প রেকর্ড হয়েছে এবং ২০২৪ সালের পর কম্পনের হার আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে তারা বলেন, গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার ‘মেগাথার্স্ট’ ফল্টে গত ৮০০-১০০০ বছর ধরে সঞ্চিত শক্তি এখনো মুক্ত হয়নি, যা বড় ধরনের ভূমিকম্পের জন্য একটি গুরুতর সংকেত।   তাদের মতে, বাংলাদেশ তিন সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত—ভারত, মিয়ানমার ও ইউরেশীয় প্লেট। সিলেটের ডাউকি ফল্ট, চট্টগ্রাম–টেকনাফের চিটাগং–আরাকান ফল্ট এবং মিয়ানমারের সাগাইং ফল্ট—এই তিনটি প্রধান ফল্ট মিলেই দেশটিকে উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। দ্রুত নগরায়ণ, ঘনবসতি, দুর্বল অবকাঠামো, বিল্ডিং কোড অমান্য এবং সংকীর্ণ নগর কাঠামো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।   বিশেষজ্ঞরা বলেন, সময়মতো প্রস্তুতি, জনসচেতনতা ও আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে বড় ধরনের ভূমিকম্পেও ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব। প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।   সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন জাপানের ভূমিকম্প-সহনশীল স্থাপত্য বিশেষজ্ঞ কেসিরো সাকো ও হেসাইয়ে সুগিয়ামা। তারা জাপানের ভূমিকম্প-পরবর্তী অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নিরাপদ নকশা, আধুনিক নির্মাণমান ও ঝুঁকি কমানোর কৌশল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।   বক্তারা আরও বলেন, সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া ভূমিকম্প-সহনশীল দেশ গড়া সম্ভব নয়। এজন্য ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবন নির্মাণ, পুরোনো ভবনের স্ট্রাকচারাল অডিট, নির্মাণ মানের কঠোর তদারকি, জরুরি উদ্ধার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক সতর্কবার্তা ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি জনসাধারণকে নিয়মিত মহড়া, সচেতনতা কার্যক্রম ও পরিবারভিত্তিক প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।   জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো আমাদের ঝুঁকি আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ নগরায়ণ ও দুর্বল অবকাঠামোর কারণে বড় ভূমিকম্প ঘটলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখনই সচেতনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।   এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. এম শামীম জেড বসুনিয়া, প্রফেসর ড. সৈয়দ ফখরুল আমিন (বুয়েট), রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ওয়াহিদুজ্জামান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী, রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ আল হোসেন চৌধুরী রিজভী, প্রফেসর ড. রাকিব আহসান (বুয়েট), বাজুস প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান, বিএমইডির পরিচালক মমিনুল ইসলাম, স্থপতি আরিফুল ইসলাম, স্থপতি রফিক আজম ও ভিস্তারার এমডি মুস্তফা খালিদ পলাশ।

কবে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’, জানা গেল
কবে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’, জানা গেল

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করে ভারতের পূর্ব উপকূলে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশটির আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়টি তামিলনাড়ুতে আঘাত হানতে পারে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়টি তখন কারাইকাল থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল এবং উত্তর তামিলনাড়ু ও দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছিল। ধারণা করা হচ্ছে, রোববার (৩০ নভেম্বর) ভোরের আগেই এটি উপকূলে আছড়ে পড়বে।   এদিকে ‘ডিটওয়াহ’-এর প্রভাবে ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৮০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২০ জন। ঘূর্ণিঝড়জনিত ভারী বর্ষণের কারণে বাড়ি-ঘর, গাছপালা এবং বিভিন্ন স্থাপনা পানিতে তলিয়ে গেছে। ভূমিধসে একাধিক এলাকায় চরম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পানি-বন্দী ও আশ্রয়হীন মানুষদের উদ্ধারে জরুরি দল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।   ভারতের তামিলনাড়ু জুড়েও ‘ডিটওয়াহ’-এর প্রভাবে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে রাজ্য কর্তৃপক্ষ জরুরি প্রস্তুতি নিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।   সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে তামিলনাড়ুতে ইন্ডিগো তাদের কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করেছে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে রামআশ্রম–ওখা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাও বাতিল করা হয়েছে। সমুদ্রের ওপর অবস্থিত পাম্বন ব্রিজে তীব্র ঝড়ো বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   তবে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় থাকলেও বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই। প্রধান আঘাত আসবে ভারতের তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে।

জাতীয়

Recommended posts

রাজনীতি

View more
খালেদা জিয়ার সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালেন ডা. জাহিদ
খালেদা জিয়ার সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালেন ডা. জাহিদ
নভেম্বর ৩০, ২০২৫ 0

গত কয়েক দিনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, বর্তমানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্পূর্ণ চিকিৎসক বোর্ডের তত্ত্বাবধানে আগের মতোই চলছে।   শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।   ডা. জাহিদ বলেন, দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসা বোর্ডের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশই ঠিক করবে—তাকে বিদেশে নেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না।   তিনি আরও জানান, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করেই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা পরিচালিত হচ্ছে এবং এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।   ডা. জাহিদ বলেন, ডা. জোবায়দা রহমান দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে কাজ করছেন। চিকিৎসক দলের দেওয়া প্রতিটি চিকিৎসাই খালেদা জিয়া গ্রহণ করতে পারছেন বলে জানান তিনি।   হাসপাতালের সামনে অযথা ভিড় না করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাওয়া হচ্ছে। সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে তার সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।   উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৬ বছরের আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক নির্যাতন, কারাভোগ এবং চিকিৎসার সুযোগ সীমিত থাকায় খালেদা জিয়ার শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়—হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনি জটিলতা তার মধ্যে অন্যতম।   ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের পরদিন রাষ্ট্রপতির আদেশে মুক্তি পান খালেদা জিয়া। উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি গত ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান এবং ১১৭ দিন অবস্থান শেষে ৬ মে দেশে ফেরেন।   দেশে ফিরেও শারীরিক জটিলতার কারণে তাকে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। সর্বশেষ ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

শেখ হাসিনার দুটি লকারে ৮৩২ ভরি সোনার গয়না
শেখ হাসিনার দুটি লকারে ৮৩২ ভরি সোনার গয়না
নভেম্বর ২৬, ২০২৫ 0

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকে থাকা দুটি লকার খুলে বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। আদালতের অনুমতি নিয়ে মঙ্গলবার ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লকার দুটি খোলা হলে সেখানে ৮৩২ ভরি সোনা পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন জব্দ থাকা লকার থেকে এসব গয়না উদ্ধার করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) যৌথ তদন্ত দল।   মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত এ অভিযানে তদন্তকারীরা লকার দুটিতে থাকা সব সোনা জব্দ করেন।   জানা গেছে, জব্দের দুই মাসেরও বেশি সময় পর আদালতের নির্দেশে লকারগুলো খোলা হয়। একইদিন শেখ হাসিনার নামে পূবালী ব্যাংকে থাকা আরেকটি লকারও খোলা হয়।   কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, লকারে পাওয়া গয়নার মধ্যে উপহার হিসেবে পাওয়া দলীয় প্রতীক নৌকা, শেখ কামাল ও শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুলের বিয়ের আংটি, চুড়ি, বালা ও কানের দুলসহ বিভিন্ন অলংকার রয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর দিলকুশায় অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে ৭৫১ ও ৭৫৩ নম্বর লকার দুটি সিআইসি জব্দ করেছিল।   অভিযানের সময় অগ্রণী ব্যাংকের এমডি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, শেখ হাসিনা নিয়ম মেনে লকার দুটি ভাড়া নিয়েছিলেন এবং গ্রাহকের অনুপস্থিতিতে লকার খোলার ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতির বাধ্যবাধকতা রয়েছে।   এর আগে পূবালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় শেখ হাসিনার নামে থাকা ১২৮ নম্বর লকারও সিআইসি জব্দ করেছিল।   ব্যাংক লকারের নিয়ম অনুযায়ী, দুটি চাবি প্রয়োজন হয়—একটি গ্রাহকের কাছে এবং অন্যটি ব্যাংকের কাছে থাকে।   অগ্রণী ব্যাংকে শেখ হাসিনার আরেকটি ব্যাংক হিসাবও গত বছরের আগস্ট থেকে বিএফআইইউ’র নির্দেশে অবরুদ্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। সেই হিসাবে থাকা টাকার তথ্যও এনবিআরের দল সংগ্রহ করেছে।   উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করে ভারতে চলে যান। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার তার ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কর ফাঁকি ও দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে।

এলডিসি উত্তরণ ও চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্ট
এলডিসি উত্তরণ ও চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্ট
নভেম্বর ২৫, ২০২৫ 0

বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের নির্ধারিত সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ বাড়ছে দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও নীতিনির্ধারণ নিয়ে। আগামী ২৪ নভেম্বর ২০২5—এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি উত্তরণের কথা। তবে বর্তমান আর্থসামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় উত্তরণের সময় বাড়ানোর দাবি কোনো দুর্বলতা নয় বরং সম্ভাব্য চাপ কমাতে একটি দায়িত্বশীল পদক্ষেপ—এমনটাই মনে করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একইসঙ্গে তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র নিয়ে সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে “সাধারণ নয়” বলে মন্তব্য করেছেন।   তারেক রহমানের মতে, গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেটে থাকা সরকারই কেবল দেশের প্রধান কৌশলগত সম্পদ—যেমন চট্টগ্রাম বন্দর—সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রাখে।   সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি এলডিসি উত্তরণ, সামষ্টিক অর্থনীতি এবং চট্টগ্রাম বন্দরের সিদ্ধান্ত নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য প্রকাশ করেন। সেখানে উদাহরণ টেনে তিনি দেখান, এই উত্তরণ কীভাবে দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, শ্রমিক ও সাধারণ পরিবারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।   তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্টের মূল বক্তব্য— তিনি প্রথমেই উল্লেখ করেন গাজীপুরের এক ছোট পোশাক কারখানার মালিকের কথা—যিনি দশ বছর ধরে শতাধিক শ্রমিক নিয়ে বৈশ্বিক বাজারে সংগ্রাম করে টিকে আছেন। কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই যদি এলডিসি সুবিধা উঠে যায়, তবে তিনি ধীরে ধীরে ব্যবসা হারিয়ে ফেলতে পারেন—অর্ডার কমবে, কারখানা চালু রাখা কঠিন হবে, কর্মীদের বেতন প্রদানে সমস্যা হবে।   এরপর তিনি উদাহরণ দেন নারায়ণগঞ্জের এক তরুণ স্নাতকের পরিবারের কথা—যেখানে পরিবারের জীবন চলে বাবার ওভারটাইম আয়ের ওপর। রপ্তানির চাপ বাড়লে প্রথমেই ওভারটাইম বন্ধ হয়, এরপর শিফট কমে, অবশেষে চাকরি চলে যায়। এগুলো কোনো শিরোনাম হয় না, তবে বাস্তব জীবনের নীরব সংকট।   তারেক রহমান বলেন, এলডিসি উত্তরণের সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের মতামত ছাড়া নেওয়া হচ্ছে—যাদের ভবিষ্যৎই এ সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে।   এলডিসি উত্তরণ নিয়ে তার বিশ্লেষণ বিএনপি আগেও জানিয়েছে—সময় বৃদ্ধির বিকল্প বিবেচনা না করে ২০২৬ সালের উত্তরণের সময়সীমায় অটল থাকা মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত—যা একটি অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া উচিত নয়, কারণ তাদের কাছে জনগণের ম্যান্ডেট নেই। তারেক রহমান মনে করিয়ে দেন, জাতিসংঘ অতীতে অ্যাঙ্গোলা ও সামোয়ার মতো দেশের ক্ষেত্রে উত্তরণের সময়সীমা বাড়িয়েছে। অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে নিয়মেই রয়েছে নমনীয়তার সুযোগ। তাই সময় চাওয়াটাই দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, “আমরা কেন এমন ভান করছি যে কোনো বিকল্প নেই? কেন আমরা আন্তর্জাতিক দরকষাকষিতে নিজেদের ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছি?” সরকারের নথিপত্রেও ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের কথা রয়েছে—ব্যাংকিং খাতে চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, ঋণের ঝুঁকি ও রপ্তানি কমে যাওয়া।   চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে তার বক্তব্য তার মতে, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবেশদ্বার; তাই এটিকে ঘিরে সাম্প্রতিক দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্তগুলো সাধারণ নয়, বরং কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে। কিন্তু এসব সিদ্ধান্তও এমন একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিচ্ছে—যাদের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার বৈধতা নেই।   তিনি বলেন, “যেসব সিদ্ধান্ত দেশের ভবিষ্যৎ দশকজুড়ে প্রভাবিত করবে, সেগুলো অবশ্যই জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকারের মাধ্যমে নেওয়া উচিত।”   তারেক রহমান বলেন, কৌশলগত ধৈর্য দুর্বলতা নয়; জনপরামর্শ কোনো বাধা নয়; গণতান্ত্রিক বৈধতা বিলম্ব নয়। জনগণের অংশগ্রহণ, মতামত ও সম্মান—এসবই একটি টেকসই সিদ্ধান্তের ভিত্তি।   তিনি মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের জনগণ কখনোই ভবিষ্যৎ নিয়ে নিষ্ক্রিয় নয়—তারা ত্যাগ স্বীকার করেছে, সংগ্রাম করেছে। তাই আগামীর পথ নির্ধারিত হবে জনগণের মাধ্যমে—“সবার আগে বাংলাদেশ” এই নীতিতে।

আরও ৫৫ নেতাকে ‘সুখবর’ দিলো বিএনপি
আরও ৫৫ নেতাকে ‘সুখবর’ দিলো বিএনপি
নভেম্বর ২১, ২০২৫ 0

দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা পুনর্গঠন ও আবেদন পর্যালোচনার পর বিএনপি আরও ৫৫ জন নেতার বহিষ্কারাদেশ তুলে নিয়ে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদ পুনর্বহাল করেছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।   সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে বহিষ্কৃত হওয়া এসব নেতাদের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি।   পুনর্বহাল হওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফায়জুল কবির তালুকদার, বরগুনার বেতাগী পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক দুলাল, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য শাফী খান, মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, কেন্দ্রীয় শ্রমিকদলের সদস্য ফয়েজ আহমেদ লিটনসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাবেক নেতা-কর্মীরা।   এ ছাড়া রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, কক্সবাজার, গাজীপুর, ফরিদপুর, সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদল এবং মহিলা দলের সাবেক নেতারাও পুনর্বহালের তালিকায় রয়েছেন।   একইসঙ্গে, মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাদার বিরুদ্ধে দেওয়া পদের স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করেছে দল।   বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পুনর্বহাল কার্যক্রম দলীয় কাঠামোকে আরও সুসংগঠিত করতে এবং কর্মীদের পুনরায় সংগঠিত করতে সহায়তা করবে।

Follow us

Trending

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে চাকরির সুযোগ, বেতন ৪৫ হাজার
রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে চাকরির সুযোগ, বেতন ৪৫ হাজার

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন বিভাগে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদে জনবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।   এক নজরে নিয়োগের বিস্তারিত   প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) বিভাগের নাম: অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদসংখ্যা: ০১ জন শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমান অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম ১ বছর চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয় বয়সসীমা: নির্ধারিত নয় বেতন: ৪৫,০০০ টাকা কর্মস্থল: ঢাকা   আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনের শেষ তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫

অক্টোবর ১১, ২০২৫
দেশজুড়ে
আন্তর্জাতিক
বিনোদন
খেলা

ধর্ম
লাইফস্টাইল
আবহাওয়া
ফিচার
মিডিয়া
প্রবাস
সোশ্যাল মিডিয়া
বিজ্ঞান
স্বাস্থ্য
শিক্ষা
তথ্যপ্রযুক্তি
আইন-বিচার
চাকরি
অর্থনীতি
রাজধানী